আত্মহত্যার জন্য কে বা কারা দায়ী?
বর্তমানে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করা যেন ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছুদিন পর পর দেখি অমুক ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সুইসাইড করেছে।
আর সুইসাইড করার পর তার (আত্মহত্যাকারীর) সেই পোস্ট ব্যাপক ভাইরাল হয়। যে দেখে সে-ই পোস্ট শেয়ার দেয়। কোনো কিছু না ভেবেই শেয়ারের পর শেয়ার দেয়। কিন্তু কেউ একটা বারও ভাবে না, আমরা নেগেটিভ কিছু শেয়ার করে কখনো অন্যকে সচেতন বা পজিটিভ চিন্তায় আনতে পারবো না।
আমরা হয়তো ভাবি, কারো সুইসাইড নোট শেয়ার করলে অন্যরা দেখবে, পড়বে এবং সচেতন হবে। কিন্তু সত্যিই কী এমন হয়! হয় না। বরঞ্চ বেশির ভাগ মানুষ যারা অনেক ডিপ্রেশনে ভুগছে, যাদের জীবন দুর্বিষহ, যারা বেঁচে থাকতে চায় না। কিন্তু আত্মহত্যা করারও সাহস পায় না, তারা এ ধরনের পোস্ট দেখে সাহস পায়। তারা-ও ভাবে এমনভাবে আমিও আত্মহত্যা করবো। শয়তান তাদেরকে এমন অন্যায় মহাপাপ করতে প্ররোচিত করে। আর আমরা ওইসব সুইসাইড নোট শেয়ার করে তাদের অনুপ্রাণিত করি।
এখন ভেবে দেখুন, কেউ যে কারণেই হোক আত্মহত্যা করলে তাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করা কি ঠিক? তার এমন ঘৃণিত কাজের জন্য আরও কয়জন উৎসাহ সাহস পায়, যা একদমই ঠিক নয়।
একটা কথা মনে রাখবেন-
আত্মহত্যাকারী'র হত্যাকারী নিশ্চয়ই থাকে।
যার জন্য সে নিজের জীবন দিতে দ্বিধাবোধ করে না।কয়জনে সে খোঁজ রাখে, দোষারোপ করে তাকে?
যার জন্য পৃথিবী ছাড়লো, কেউ-ই তো তাকে ধরে না।
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন