Welcome To My Official Blog Site

নতুন নতুন সব আপডেট পেতে আমাদের সাইটের সাথেই থাকুন। আর কোন সমস্যা হলে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করবেন www.facebook.com/ShaharukhOfficial

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

লেখালেখি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
লেখালেখি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

এই ছবিটা খুব সাধারণ মনে হলেও ভেতরে ভেতরে জীবনের এক গভীর সত্য লুকিয়ে আছে।



এই ছবিটা খুব সাধারণ মনে হলেও ভেতরে ভেতরে জীবনের এক গভীর সত্য লুকিয়ে আছে।


এক পাশে বিড়াল—ছোট, নিচু জায়গায় বসে। সে জিজ্ঞেস করছে,

“কতটুকু পানি?”


অন্য পাশে জিরাফ—লম্বা, উঁচু অবস্থানে দাঁড়িয়ে উত্তর দিচ্ছে,

“বেশি না, গলা পর্যন্ত।”


কিন্তু বাস্তবতা হলো—

যেটা জিরাফের কাছে “গলা পর্যন্ত”,

সেটাই হয়তো বিড়ালের জন্য ডুবে যাওয়ার সমান।


🌊 এটাই জীবন।


একই পরিস্থিতি সবার জন্য একরকম নয়।

একই সমস্যা একজনের কাছে তুচ্ছ,

আরেকজনের কাছে সেটাই জীবন-মরণ প্রশ্ন।


যে মানুষটা উঁচু অবস্থানে আছে—

অভিজ্ঞতায়, ক্ষমতায়, অর্থে বা মানসিক শক্তিতে—

সে অনেক সময় বুঝতেই পারে না,

তার “সহজ” কথাটা অন্য কারও জন্য কতটা ভারী।


আমরা প্রায়ই বলি—

“এটা তো কিছুই না”

“এত ছোট ব্যাপারে চিন্তা কেন?”

“আমি তো পারছি, তুমিও পারবে”


কিন্তু আমরা ভুলে যাই—

সবাই একই উচ্চতায় দাঁড়িয়ে নেই।

সবার শ্বাস নেওয়ার সীমা এক নয়।

সবার সহ্য করার ক্ষমতাও এক নয়।


🧠 জীবনের শিক্ষা এখানেই

কারো কষ্টকে কখনো নিজের মাপ দিয়ে বিচার করো না।

কারো সমস্যাকে হালকা করে দেখো না।

তুমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছো, সে সেখানে নেই—

এই সত্যটা বুঝতে পারলেই মানুষ হওয়া শুরু হয়।


🤍 দয়া মানে শুধু সাহায্য করা নয়,

দয়া মানে অন্যের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করতে পারা।


আজ যে “পানি” তোমার গলা পর্যন্ত,

কাল সেটা তোমারও মাথার উপর দিয়ে যেতে পারে।


তাই বিচার নয়—বোঝার চেষ্টা করো।

তাচ্ছিল্য নয়—সহানুভূতি রাখো।

কারণ জীবন সবার জন্য এক গভীরতায় চলে না।

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২২

আজ বাইশের শেষ দিন | ২০২২ সালের স্মৃতি | মোঃ শাহারুখ হোসেন

 আজ বাইশের শেষ দিন


আজ ৩১শে ডিসেম্বর, ইংরেজি বছরের শেষ দিন। আর কয়েক ঘণ্টা পরেই আসবে একটি নতুন বছর। তোমাদের অনেকের কাছেই হয়তো এই সালটি অনেক আনন্দে কেটেছে। আবার অনেকের কাছে কষ্টের। এই বছরে কেউ কত প্রিয়জনকে হারিয়েছে কেউবা নতুন বন্ধু পেয়েছে। হাজারো পাওয়া না পাওয়ার মাঝে কেটেছে বছরটি।


আমার কাছে এই বছরে যা পেয়েছি তার থেকে বেশি হারিয়েছি। বছরের শুরুটা ভালো ছিল, ২য় মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারী মাসের ২য় দিন আমার দাদি মারা যান। আপনজন হারানোর কষ্ট কতটা ব্যথিত করে হৃদয়কে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমার দাদি আমাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতেন। আমার আব্বু তাদের ভাইদের মধ্যে ছোটো, সেজন্য দাদি আমাদের সাথেই থাকতেন। নিজের বাড়ি নিজের গ্রাম ছেড়ে দাদির শহুরে পরিবেশে দম বন্ধ হয়ে যেত, এমনটাই সব সময় বলতেন। আমার বড়ো কাকা ঢাক থাকেন, সেখানে দাদি থেকেছেন অনেকদিন কিন্তু তার মন ছটফট করতো বাড়ির জন্য। আবার চলে আসলেন আমাদের এখানে। আমি যেদিন জন্মগ্রহণ করি সেদিন আমার দাদা মারা যান, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান ছিলো। আমার দাদা আমাকে দেখে যেতে পারেননি। সকালে দাদা মারা যান দুপুর ১২ টা ৪৮ মিনিটে আমি জন্মগ্রহণ করি। দাদার মৃত্যুর শোক কাটিয়ে উঠতে পারে সবাই আমার মাধ্যমে। দাদাকে দেখিনি, ছোটো থেকে দাদিকে দেখেছি। কতটা ভালো মানুষ ছিলেন তা গ্রামের সবাই জানেন। কখনো রাগ করে থাকতেন না। কেউ কিছু বললে সাথে সাথে রাগ ভুলে আবার কথা বলতেন। একজন মাটির মানুষ ছিলেন আমার দাদি। দাদির এমন মৃত্যু সবচেয়ে বেশি আমাকে ব্যথিত করে।


আমার আব্বুকে আমি গত ২৫ বছরে কখনো কাঁদতে দেখিনি। কখনো কষ্ট হচ্ছে, খারাপ লাগছে বলতে শুনিনি। হাজার কষ্ট অসুস্থতার মাঝেও হাসি দিয়ে বলতেন আমি ঠিক আছি। আব্বুকে প্রথম কাঁদতে দেখেছি ২রা ফেব্রুয়ারিতে। যেদিন আমার দাদি মারা গেলেন। আব্বু আমাকে জড়িয়ে ধরে হাও মাও করে কেঁদেছিলেন। সেদিন বুঝলাম মা-কে হারানোর ব্যথা কতটা কষ্টদায়ক হয়।


এর ঠিক দুইমাস পর এপ্রিলের ৪ তারিখ আমার ছোটো ফুফু মারা গেলেন। দাদির শোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতে আবারও আরেক আপনজনের মৃত্যু। রিতীমত সৃষ্টিকর্তার বিরাট এক পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। পর পর দুজনের মৃত্যু আমাদের সকল আত্মীয়-স্বজনের মধ্যে শোকের ছায়া বিরাজ করছিল। আমার ছোটো ফুফুকে দেখেছি কত কষ্ট করেছেন জীবনে। বিয়ের পরও কখনো সুখে থাকতে পারেননি। ফুফা সারাজীবন কাটিয়ে দিলেন প্রবাসে, আজও প্রাবাসে আছেন। ফুফু মারা গেলেন কতটা কষ্ট নিয়ে স্বামী ছাড়া সংসার জীবন একাই পার করে পরলোক গমণ করলেন। ফুফুর এক মেয়ে নাম- 'বৃষ্টি', তার কোনো ইচ্ছায় অপূর্ণ রাখেননি। মেয়েকে বড়ো করেছেন একাই, মেয়ের সকল আবদার পূরণ করেছেন। মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন তাদের ঘরে একটা ফুটফুটে কন্যা সন্তানও আছে নাম "আয়াত"। ফুফু সারাক্ষণ আয়াতকে নিয়েই থাকতেন। এতো তাড়াতাড়ি আমাদেরকে ছেড়ে চলে যাবেন তা হয়তো কেউ-ই ভাবতে পারেনি। 


আমার দাদি, ফুফু পরপর দুজনের মৃত্যু। ২০২২ ইং সালে, আমার দুইজন আপন মানুষ কেড়ে নিয়েছে। কোনো প্রাপ্তি-ই এই আপনজনের ব্যথাকে উপশম করতে পারবে না।


তবুও জীবন থেমে থাকবে না, জীবন চলতে জীবনের নিয়মে। জন্ম হবে মৃত্যু আসবে এটাই নিয়ম এটাকে কেউ উপেক্ষা করে চলতে পারবে না।


সবশেষে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে এই প্রার্থনা করি, "আল্লাহ যেন দাদি ও ফুফু উভয়ের জীবনের সকল গুনাখাতা মাফ করে জান্নাতবাসী করেন।"-আমিন।


আর কিছুক্ষণ পরে এই বছরের শেষ সূর্য অস্তমিত হবে। সেই সূর্য অস্তমিত হওয়ার সাথে সাথে পুরাতন সব স্মৃতি মুছে ফেলে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে হবে। এটাই নিষ্ঠুর প্রকৃতির নিয়ম।


তবুও তোমাদের সবাইকে আসছে বছরের শুভেচ্ছা।


৩১ শে ডিসেম্বর ২০২২ ইং

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

শুক্রবার, ২ এপ্রিল, ২০২১

আত্মহত্যার জন্য কে বা কারা দায়ী? | মোঃ শাহারুখ হোসেন

আত্মহত্যার জন্য কে বা কারা দায়ী?


বর্তমানে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যা করা যেন ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিছুদিন পর পর দেখি অমুক ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে সুইসাইড করেছে।

আর সুইসাইড করার পর তার (আত্মহত্যাকারীর) সেই পোস্ট ব্যাপক ভাইরাল হয়। যে দেখে সে-ই পোস্ট শেয়ার দেয়। কোনো কিছু না ভেবেই শেয়ারের পর শেয়ার দেয়। কিন্তু কেউ একটা বারও ভাবে না, আমরা নেগেটিভ কিছু শেয়ার করে কখনো অন্যকে সচেতন বা পজিটিভ চিন্তায় আনতে পারবো না।


আমরা হয়তো ভাবি, কারো সুইসাইড নোট শেয়ার করলে অন্যরা দেখবে, পড়বে এবং সচেতন হবে। কিন্তু সত্যিই কী এমন হয়! হয় না। বরঞ্চ বেশির ভাগ মানুষ যারা অনেক ডিপ্রেশনে ভুগছে, যাদের জীবন দুর্বিষহ, যারা বেঁচে থাকতে চায় না। কিন্তু আত্মহত্যা করারও সাহস পায় না, তারা এ ধরনের পোস্ট দেখে সাহস পায়। তারা-ও ভাবে এমনভাবে আমিও আত্মহত্যা করবো। শয়তান তাদেরকে এমন অন্যায় মহাপাপ করতে প্ররোচিত করে। আর আমরা ওইসব সুইসাইড নোট শেয়ার করে তাদের অনুপ্রাণিত করি।


এখন ভেবে দেখুন, কেউ যে কারণেই হোক আত্মহত্যা করলে তাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করা কি ঠিক? তার এমন ঘৃণিত কাজের জন্য আরও কয়জন উৎসাহ সাহস পায়, যা একদমই ঠিক নয়।


একটা কথা মনে রাখবেন- 


আত্মহত্যাকারী'র হত্যাকারী নিশ্চয়ই থাকে।

যার জন্য সে নিজের জীবন দিতে দ্বিধাবোধ করে না।কয়জনে সে খোঁজ রাখে, দোষারোপ করে তাকে?

যার জন্য পৃথিবী ছাড়লো, কেউ-ই তো তাকে ধরে না।


~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১

তুমি কাকে ঠকাচ্ছ? | মোঃ শাহারুখ হোসেন

তুমি কাকে ঠকাচ্ছ???


যে মানুষটা তোমার ভয়েস শোনার অপেক্ষায় থাকে, তাকে?

যে মানুষটা তোমার জন্য সবকিছু করতে পারে, তাকে?

যে মানুষটা তোমার কত শত ভুল ক্ষমা করে দেয়, তাকে?

যে মানুষটা তোমার সব আবদার পূরণের আপ্রাণ চেষ্টা করে, তাকে?

যে মানুষটা তোমার অসুস্থতার খবরে অস্থির হয়ে যায়, তাকে?

যে মানুষটা তোমার জন্য জায়নামাজে বসে কাঁদে, তাকে?

যে মানুষটা তোমার ব্যথায় ব্যথিত হয়, তাকে?

যে মানুষটা তোমাকে একনজর দেখার জন্য ছুটে যায়, তাকে?

যে মানুষটা তোমাকে ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারে না, তাকে?

যে মানুষটা তোমাকে পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করছে, তাকে?

যে মানুষটা তোমাকে হারাতে চায় না, তাকে?

যে মানুষটা তোমাকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেয়, তাকে?

যে মানুষটা তোমাকে জীবন সঙ্গী করতে চায়, তাকে?

যে মানুষটা তোমাকে এতো বেশি ভালোবাসে, তাকে?


তবে মনে রেখো,

কিছু মানুষ জীবনে বারবার আসে না।🖤


~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২১

মোঃ শাহারুখ হোসেন'র লেখা

এক মেয়ে প্রতিদিন একেকজন নতুন মেয়ের ছবি পোস্ট করে।
ওহ্ বলতে হচ্ছে, তিনি একজন লেখিকা।
তো একদিন তিনি একটা কবিতা পোস্ট করেছেন, সাথে একটা সুন্দরী মেয়ের ছবিও জুড়ে দিয়েছেন। লেখাটি আমার সামনে আসায় আমি পড়লাম এবং তাঁর কবিতার প্রশংসা করে মন্তব্য করলাম। আমাকে রিপ্লাই দিলে আমি আবার জিজ্ঞাসা করলাম, 'আপু যে মেয়েটা ছবি দিয়েছেন ওইটা কি আপনি?'
লেখিকাঃ নাহ, ভাইয়া, ওইটা আমি না।
আমিঃ ওহ আচ্ছা, তাহলে আপনার কোনো বান্ধবী?
-- নাহ, তাও না।
- তাহলে পরিচিত কেউ, নিশ্চয়ই?
-- না ভাইয়া, আমি চিনি না।
- আপনি চেনেন না? তাহলে ছবি কোথায় পেয়েছেন?
-- ফেসবুকেই পেয়েছি।
- তা উনার সাথে কথা হয়েছে? মানে যার ছবি!
-- উনাকে তো চিনি না, কথা কীভাবে বলবো!
- ওহ তা উনি কী জানেন আপনি তাঁর ছবি আপনার আইডিতে পোস্ট করেছেন?
-- আজব তো, বললাম তো উনাকে চিনি না। তাহলে সে জানবে কী করে?
- ওহ হ্যাঁ সেটাই তো। তারমানে যার ছবি তার পারমিশন ছাড়া ছবিটি নিজের লেখার সাথে ব্যবহার করছেন?
-- হ্যাঁ, পারমিশন নেওয়ার কী আছে! সবাই তো ব্যবহার করে।
- ওহ পারমিশন নেওয়ার দরকার নেই? আপনার ছবি যদি কেউ এমনভাবে তাদের টাইমলাইনে পোস্ট করতো!
-- হা হা হা, আমার ছবি তো ফেসবুকে দিইনি; তা পোস্ট করবে কী করে?
- তা কেন দেননি আপনার ছবি?
-- কেন দিবো! ফেসবুকে ছবি দেওয়া হারাম। আর আমার বাসায় জানতে পারলে খবর করে দিবে।
- ওহ আচ্ছা, ফেসবুকে ছবি দেওয়া হারাম। তা যে মেয়েটার ছবি দিছেন সেটা কি জায়েজ, হারাম নয়?
'লেখিকা চুপ রইলেন'
আমি আবার বললাম, 'আপনার ছবি দিলে হারাম আর অন্য মেয়ের ছবি নিজের লেখার সাথে তার অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করছেন এটা হারাম মনে হলো না?? জেনে রাখুন এটা শুধু হারামই নয়, আইনত অপরাধ।'
-- আসলে কী বলবো ভাইয়া সবাই-ই তো এমন করে।
- এটা শুধু আপনাকে নয়, সবার উদ্দেশ্যে লিখছি। কারো অনুমতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার অপরাধ।
-- সংগৃহীত লিখে দিলে হবে না?
- এই একটা নতুন উপায় বের করেছেন। সংগৃহীত লিখে দিলেন আর আপনার দায়িত্ব শেষ। আমার কথা হচ্ছে অন্যের ছবি দিতে হবে কেন? এতোই যখন ছবি দেওয়ার শখ তখন নিজের ছবিটা দেন না, অন্যেরটি কেন দেন?
-- আসলে ভাইয়া ঠিকই বলেছেন। এভাবে কখনো ভেবে দেখিনি। সবাই দেয় তাই আমিও দিই।
- এটাই তো সমস্যা সবাই যা করে আমাদেরকেও তা করা লাগবে? আপনার ছবি যদি সত্যি কেউ দিত, তবে আপনার ভালো লাগতো? নিশ্চয়ই না! তার বিরুদ্ধে অনেক পরিবার আছে মামলা পর্যন্ত করতো।
-- তা তো করতো, আমিও করতাম।
- হ্যাঁ সেটাই, নিজের জায়গায় অন্য মেয়েদের রেখে ভেবে দেখুন, তাদের পরিবারের কথা ভেবে দেখুন।
- হুম বুঝেছি ভাইয়া।
-- বুঝলেই ভালো, আর আপনি খুব ভালো লেখেন। তাই অন্য মেয়েদের ছবি না দিলেও পাঠক পড়বে। শুধু শুধু অন্যদের ছবি দিয়ে নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করবেন না। পারলে নিজের দিবেন অন্যথায় কারোটা নয়।
- জি ঠিক আছে।

[বিঃদ্রঃ উপরিউক্ত কথোপকথন সম্পূর্ণ কাল্পনিক ছিলো। লেখাটি সেইসব লেখক/লেখিকার জন্য, যারা মেয়েদের ছবি ব্যবহার করেন নিজের লেখাকে হাইলাইটস করার জন্য। তাদেরকে বোঝানোর জন্য লিখেছি। ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।]

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০

২০২০ সাল শেষ, নতুন বছরের বার্তা

২০২০ সাল/২০বিশ/বিষাক্ত সাল
এই বছরটি সবারই কিছু না কিছু কেড়ে নিয়েছে। অনেক পাওয়া না পাওয়ার মাঝে কেটেছে। তবুও হাজার হতাশার পর একটা আশার কথা, 'এখনও বেঁচে আছি।'

এখন পর্যন্ত সারাবিশ্বে করোনায় 1,812,046+ মানুষ মারা গেছে। মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। কিন্তু মহান আল্লাহ আমাদের এখনও জীবিত রেখেছেন। এটাই আল্লাহর দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া, আলহামদুলিল্লাহ।

আগামী বছর যেন আল্লাহ আমাদের সবাইকে সবরকম বালামুসিবত থেকে হেফাজত করেন।
সকল কষ্ট, দুঃখ দুর্দশার যেন অবসান ঘটে। সকলের মনের নেক আশা যেন পূরণ হয়।
দুই হাজার বিশ সাল থেকে যে যেই শিক্ষা-ই পেয়েছি তা যেন স্মরণ রেখে চলতে পারি। এই বছরের করা ভুলগুলো যেন আগামী বছর পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
সর্বোপরি সবাই যেন আল্লাহর হুকুম পরিপূর্ণ মেনে চলতে পারি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন।
আমিন।।

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন