এই ব্লগটি সন্ধান করুন
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
জীবন শুধু টিকে থাকার নাম নয়,
জীবনকে মাঝে মাঝে উদযাপন করতে হয়।
একই রুটিনে, একই কাজ করতে করতে
কখন যে জীবন একঘেয়ে হয়ে যায়, আমরা নিজেরাই টের পাই না।
হাসি কমে যায়, আগ্রহ হারিয়ে যায়,
একসময় নিজের জীবনটাই আমাদের কাছে বোরিং লাগে।
সেখান থেকেই জন্ম নেয় হতাশা,
আর সেই হতাশা ধীরে ধীরে আমাদের গ্রাস করে ফেলে।
কিন্তু জীবন এমন হওয়ার কথা না।
জীবন মানে শুধু দায়িত্ব আর দৌড় নয়।
জীবন মানে পরিবারকে সময় দেওয়া,
প্রিয় মানুষদের সাথে যোগাযোগ রাখা,
মাঝে মাঝে থেমে নিজেকে জিজ্ঞেস করা—
আমি কি ভালো আছি?
যেখানে মন ভালো থাকে না,
সেখান থেকে সরে আসতে জানতে হয়।
যেখানে মন শান্তি পায়,
সেখানেই যাওয়ার সাহস রাখতে হয়।
সব সময় সবাইকে খুশি করতে গিয়ে
নিজেকে অবহেলা করলে চলবে না।
শেষ পর্যন্ত,
নিজেকে ভালো রাখার দায়িত্বটা
নিজেরই।
কারণ আপনি ভালো থাকলেই,
আপনার জীবনটাও সুন্দর হবে।
#জীবন_উদযাপন
#নিজেকে_ভালো_রাখুন
#মানসিক_শান্তি
#জীবনের_কথা
#নিজের_জন্য_বাঁচুন
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সফলতার কোনো শর্টকাট নেই।
জীবনে এগোতে হলে স্ট্রাগল করতেই হবে।
উত্থান–পতন, বাধা–বিপত্তি, হতাশা—
সবকিছুর মধ্য দিয়েই মানুষ গড়ে ওঠে।
খুব দ্রুত কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না।
জীবনপথে ধীরে ধীরে হাঁটতে হয়,
প্রতিটা ধাপে নিজেকে প্রস্তুত করতে হয়।
চেষ্টা, অধ্যবসায় আর আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল—
এই তিনটা নিয়েই নীরবে কাজ করে যেতে হয়।
কাউকে দেখানোর দরকার নেই,
কাউকে বোঝানোরও না।
সময় এলে ফল নিজেই কথা বলবে।
ইনশাআল্লাহ,
আল্লাহ তাআলা উত্তম পরিকল্পনাকারী—
তিনি জানেন কখন, কীভাবে,
কাকে কোথায় পৌঁছে দিতে হবে।
বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
কিছু মানুষ গান গায় না—তারা আমাদের অনুভূতিগুলো গেয়ে তোলে।
Arijit Singh ঠিক তেমনই একজন মানুষ।
আজ যখন শুনি, তিনি প্লেব্যাক সিঙ্গিং থেকে অবসরের কথা ভাবছেন—মনটা অদ্ভুত এক শূন্যতায় ভরে যায়।
কারণ তিনি শুধু একজন গায়ক নন,
তিনি ছিলেন—
আমাদের ভাঙা হৃদয়ের ভাষা,
নিঃশব্দ কান্নার সুর,
অপূর্ণ ভালোবাসার শেষ আশ্রয়। 💔
“তুম হি হো” আমাদের ভালোবাসা চিনিয়েছে,
“চান্না মেরেয়া” বিদায়ের ব্যথা শিখিয়েছে,
“আগার তুম সাথ হো” অসম্পূর্ণতার কান্না,
“ফির লে আয়া দিল” হারানো মানুষকে মনে করিয়ে দিয়েছে,
আর “কে তুম হি তো”, “খাইরিয়াত”, “শায়াদ”—
এই গানগুলো শুধু গান ছিল না,
এগুলো ছিল আমাদের জীবনের অধ্যায়। 🎵
অনেক মানুষ তার গানে হাসতে শিখেছে,
অনেক মানুষ কেঁদে হালকা হয়েছে,
অনেক ভাঙা মানুষ নতুন করে বাঁচার সাহস পেয়েছে।
আজ যদি সত্যিই তিনি অবসর নেন,
তাহলে মাইকটা নামবে—
কিন্তু তার কণ্ঠ নামবে না।
সে কণ্ঠ থাকবে আমাদের হেডফোনে,
রাত জাগা চোখে,
একলা পথচলায়,
এবং সেই মানুষটার স্মৃতিতে—যাকে আমরা কখনো ভুলতে পারিনি। 🌙
শিল্পী অবসর নিতে পারেন,
কিন্তু লিজেন্ড কখনো অবসর নেন না।
আপনি গান ছেড়ে যেতে পারেন, Arijit,
কিন্তু আমাদের হৃদয় ছেড়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ❤️
ধন্যবাদ—
ভালোবাসার ভাষা হয়ে ওঠার জন্য।
🎤✨
#ArijitSingh
#ThankYouArijit
#LegendNeverRetires
#VoiceOfHearts
#BollywoodMelody 🎶
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন
সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
আমাদের জীবনে যখন দুঃখ নেমে আসে,
যখন অকারণে মনে হয় সবকিছু উল্টো দিকে যাচ্ছে,
তখন আমরা খুব সহজেই একজন দোষী খুঁজে নেই—
সমাজ, মানুষ, আত্মীয়, ভাগ্য…
কিন্তু খুব কম মানুষই সাহস করে আয়নার দিকে তাকায়।
অথচ সত্যিটা প্রায়ই কঠিন—
বেশিরভাগ দুঃখই আসে নিজের কর্মফল থেকে।
আমাদের বলা কথা, করা ব্যবহার, অবহেলা, অহংকার—
এসবই একদিন ফিরে আসে,
ঠিক যেভাবে ছায়া রোদে আমাদের পিছু নেয়।
আমাদের চোখে যেন অদ্ভুত এক পর্দা পড়ে যায়।
অন্যের ছেলের দোষ পরিষ্কার দেখি,
অন্যের মেয়ের ভুলে বড় বড় কথা বলি,
কিন্তু নিজের ঘরের ভেতরের ভুলগুলো
চোখে পড়েই না।
সবসময় মনে হয়—
আমরাই ঠিক,
আমরাই নির্দোষ,
আর বাকি সবাই ভুল।
কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী—
মা–বাবার সাথে দুর্ব্যবহার করে
কোন সন্তান কখনো বড় হতে পারেনি,
আজ পর্যন্ত না, ভবিষ্যতেও না।
বাবার দিকে তাকাতে বলা হয়েছে নেক দৃষ্টিতে,
মায়ের সাথে কথা বলতে বলা হয়েছে নরম ভাষায়।
উহ্ শব্দটুকুও যেন কষ্ট না দেয়—
এই শিক্ষাগুলো আমরা জেনেও ভুলে যাই।
অথচ পরে যখন জীবনে অশান্তি নামে,
ব্যর্থতা আসে,
বরকত কমে যায়—
তখন আমরা দোষ দিই অন্য মানুষকে,
কখনো ভাগ্যকে, কখনো পরিস্থিতিকে।
কিন্তু আমরা মানতে চাই না—
হয়তো এই কষ্টের শিকড়টা
আমারই কোন কথায়,
আমারই কোন আচরণে,
আমারই কোন অবহেলায় গাঁথা।
আত্মসমালোচনা করা সহজ নয়,
কিন্তু এটাই মানুষ হওয়ার প্রথম ধাপ।
আজ যদি একটু থেমে
নিজের দিকে তাকাই,
নিজের ব্যবহার ঠিক করি,
মা–বাবার কাছে মাথা নত করি—
তাহলেই হয়তো বুঝতে পারব,
দুঃখটা আসেনি শত্রুর হাত ধরে,
এসেছিল আমারই ভুল পথ ধরে।
কারণ জীবন কাউকে শাস্তি দেয় না,
জীবন শুধু হিসাব মিলিয়ে দেয়।
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬
জঙ্গল ধ্বংস হয়ে যাচ্ছিল।
একটার পর একটা গাছ কাটা পড়ছিল।
পাতা ঝরছিল, ছায়া হারাচ্ছিল, পাখিরা বাসা ছেড়ে পালাচ্ছিল।
তবুও আশ্চর্যের বিষয়—
সব গাছই ভোট দিচ্ছিল কুড়ালকেই।
কারণ গাছগুলোর যুক্তি ছিল খুব সরল—
“কুড়ালের ধারটা লোহা হলেও,
এর হাতলটা তো আমাদেরই কাঠ দিয়ে বানানো।
ও নিশ্চয়ই আমাদের ক্ষতি করবে না।”
🌿 এটাই ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত।
শত্রু সব সময় বাইরে থেকে আসে না।
অনেক সময় সে আসে আমাদেরই ভাষা নিয়ে,
আমাদেরই রঙ মেখে,
আমাদেরই পরিচয় ব্যবহার করে।
গাছগুলো বুঝতে পারেনি—
কুড়ালের আসল শক্তি লোহায়,
কিন্তু সেই লোহাকে চালানোর ক্ষমতা এসেছে নিজেদের কাঠ থেকেই।
অর্থাৎ ধ্বংসের হাতিয়ার তৈরি হয়েছে ভেতরের সহযোগিতায়।
🧠 জীবনের গভীর সত্য এখানেই
যে তোমার মতো কথা বলে,
যে তোমার পরিচয় ব্যবহার করে,
সে সব সময় তোমার পক্ষে—এমন নয়।
অনেক সময় সবচেয়ে বড় ক্ষতি করে
“আমাদের লোক” সেজে থাকা মানুষগুলোই।
রাজনীতি হোক, সমাজ হোক, সম্পর্ক হোক বা পরিবার—
যখন আমরা যোগ্যতা নয়, নীতি নয়,
বরং শুধু সমগোত্রীয়তার মোহে সিদ্ধান্ত নিই,
তখন ধ্বংস অনিবার্য হয়ে ওঠে।
🔥 গাছেরা ভাবছিল—
“হাতল তো আমাদেরই একজন”
কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিল—
হাতল নিজে কিছু নয়,
সে কেবল ধারালো লোহার নিয়ন্ত্রণ দেওয়ার মাধ্যম।
আজও আমরা তাই করি—
নিজেদের সর্বনাশের চাবি
নিজেদের হাতেই তুলে দিই।
⚠️ শিক্ষা একটাই—
পরিচয় দেখে নয়,
উদ্দেশ্য দেখে বিশ্বাস করো।
কথা দেখে নয়,
কাজ দেখে সিদ্ধান্ত নাও।
নইলে একদিন দেখবে—
জঙ্গল নেই, ছায়া নেই,
শুধু পড়ে আছে কিছু গুঁড়ি আর
একটা কুড়াল…
যার হাতলটা একসময় আমাদেরই ছিল।
~ মো: শাহারুখ হোসেন
শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০
ছোটোবেলা বনাম বড়োবেলা
মোঃ শাহারুখ হোসেন
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০
আলহামদুলিল্লাহ
আজ আমার জন্মদিন!
আজকের এই তারিখে আমি এই দুনিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলাম। আমি সর্বপ্রথম আমার সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর প্রতি জানাই লাখো কোটি শুকরিয়া। এরপর সশ্রদ্ধ সালাম ও চিরকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি প্রাণ প্রিয় আব্বু আম্মুর প্রতি, যাদের মাধ্যমে আল্লাহ আমাকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।
ইতিমধ্যে অনেকেই আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। আমি সবার কাছে দোয়া চাই, আমি যেন আমার জন্মকে সার্থক করতে পারি আমার কর্মের মাধ্যমে। জীবনে চলার পথে হয়তো অনেক ভুলত্রুটি হয়েছে। অনেকে হয়তো আমার কাছ থেকে কষ্ট পেয়েছেন। সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
আজকের সেইদিনে কতো খুশি হয়েছিলেন আমার পরিবার। আমার জন্মের সাথে যেন সবার মনে খুশির ঝলক নিয়ে এসেছিলো। আমার হামাগুড়ি দিয়ে চলা, প্রথম কথা বলা; আম্মু আব্বুর জন্য আনন্দের মুহূর্ত ছিলো। আমাকে নিয়ে তাদের মনে কতো স্বপ্নের জন্ম হয়েছিলো। আজ শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে যৌবনে পদার্পণ করেছি। জীবনে চলার পথে ছোট বড় কতো নতুন গল্পের জন্ম হয়েছে।
আমি আমার জন্মদিনে কোনো গিফট পাই না, কারো কাছ থেকে ফুলের তোড়ার শুভেচ্ছাও পাই না! তারপরও আমি সারাদিন নিজের মতো করে ভালো থাকি। জন্মানোর এই তারিখটা সবারই যেন প্রিয় হয় এবং আমারও ব্যতিক্রম নয়। সবকিছু মিলিয়ে এই দিনে কেমন যেন একটা ভালো লাগা কাজ করে।
জীবনের বেঁধে দেওয়া সময় থেকে কমে গেলো আরো একটি বছর। মৃত্যুর দিকে এগিয়ে গেলাম আরো এক ধাপ। আফসোস! জীবন থেকে কতো দিন, মাস, বছর পেরিয়ে গেছে। কতো আল্লাহর হুকুম অমান্য করে ফেলেছি। যে উদ্দেশ্যে আল্লাহ আমাকে এই দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তার কিছুই করতে পারিনি।
তাই বাকি জীবন যেন আল্লাহর পথে চলতে পারি এবং আল্লাহর সব হুকুম মেনে জীবন পথে অগ্রগামী হতে পারি আল্লাহ যেন আমাকে সেই তৌফিক দান করেন। [আমিন।]
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন
