Welcome To My Official Blog Site

নতুন নতুন সব আপডেট পেতে আমাদের সাইটের সাথেই থাকুন। আর কোন সমস্যা হলে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করবেন www.facebook.com/ShaharukhOfficial

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

ছড়া/কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছড়া/কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

বিবাহ বন্ধন | Bibaho Bondhon | বিবাহ বার্ষিকী নিয়ে কবিতা | মোঃ শাহারুখ হোসেন

 


প্রেমের যত শব্দ, আছে যত ভাষা,
দুটি মনের মিলনে হলো ভালোবাসা।
বিবাহের প্রথম বছর, এই আলোচনা।
সময় পেরিয়ে যায়, স্মৃতি যায় না!

ভালোবাসার বাণী, মুখোমুখি কথা,
আমাদের প্রেম, এক সুতো-ই গাঁথা।
জীবনের পথে, এগিয়ে যেতে ছুটি,
দুজনে একসাথে, কত করি খুনসুটি।

বিবাদ আসতে পারে, আসবে বাধা,
বিবাহিত জীবন মানেই গোলকধাঁধা।
তবু মায়ার বাঁধনে বেঁধে আছি, থাকব।
সারাজীবন এভাবেই আগলে রাখব।

বিবাহের প্রথম বছর, কীভাবে যে কাটে!
জীবনের নতুন অধ্যায় লেখা হৃদয়পটে।
সাথে থাকা, পাশে থাকা, দূরে যাওয়ার নয়,
প্রার্থনা, "পবিত্র এই বন্ধন ছিন্ন যেন না হয়।"

বিবাহ বন্ধন | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

আলহামদুলিল্লাহ বিবাহিত জীবনের এক বছর পুর্ণ হলো। সৃষ্টিকর্তার নিকট এই প্রার্থনা, এভাবেই সারাজীবন একসাথে থাকতে চাই, বাকি পথ চলতে চাই।❤️ ছন্দে কাব্যে প্রিয় মানুষের জন্য লেখাটি উৎসর্গঃ করলাম Sharmin 💞👩‍❤️‍👨


শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩

গরমের তাপমাত্রা | কবিতা | শাহারুখ হোসেন |

 গরমের লাহরি বাতাসে সবুজ গাছের ছায়া,

মঙ্গল দেবে বাতাসে ফুলের জলধারা।

সূর্য জ্বলছে স্বর্গের মত প্রচণ্ড আঁধারে,

জলপূর্ণ ভিজ্ঞতা ছুঁয়ে আসে বাতাসের দারে।


পানির কান্ডার বেগে মঙ্গল দেবে মানবজাতি,

হৃদয়ে উৎসাহের জ্বালা, আঁচলে আকাশে পাতা।

গরমের তাপমাত্রা বাড়াতে থাকে নিরবধি,

হারিয়ে যায় বাঁচা জীবনের সার্থকতা।


কর্মকে বাধা দিয়ে হাঁটতে হয় চলে,

সবুজ ঘাসের চাদর মুছে ধরা তাপের তাপ।

কিন্তু এই গরমের সময়ে জল হল বিপদের প্রচণ্ড শক্তি,

জল হল জীবনের প্রাণ, সংরক্ষিত করতে হবে তার অস্তিত্ব অদৃশ্য।


জলের মূল্য সম্মান করতে হবে সবার,

গরমের তাপমাত্রা হোক একটি সতর্কতার।

জল হল জীবনের উৎস, সংরক্ষণ করতে হবে তাকে,

সৃষ্টির নিয়ম মেনে চলতে হবে সবাইকে।

সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩

নিউরনে বার্তা আসেনি | কবিতা | মোঃ শাহারুখ হোসেন |

আমার মস্তিষ্কের ১০ বিলিয়ন নিউরন

শুধু তোমার বার্তা বহন করে

তোমার বার্তা না পেলে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

জীবদ্দশায় হৃৎপিণ্ডের ২৬০০ মিলিয়ন স্পন্দন-

একমুহূর্তে বন্ধ হয়ে যায়।


মস্তিষ্কের ক্যানভাস জুড়ে তোমার অনুপস্থিতির মিছিল শুরু হয়।

১২ সে.মি. দৈর্ঘ্যের হৃৎপিণ্ডটা সংকুচিত হয়ে যায়।

আমার ধমনী তার রক্ত সংবহন বন্ধ করে দেয়।

পুরো শরীর যেন আমার বিপরীতে চলে যায়।

তোমার বার্তা না পেলে শরীরের প্রতিটি অংশ

আমাকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে এক হয়।


আমি চাই তোমার বার্তা আমার নিউরনে পৌঁছাতে,

যেন আমার মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে।

তোমার প্রতিটা বার্তা আমাকে যেন আরও

একটা দিন বাঁচতে অনুপ্রেরণা জোগায়।

এই শেষ সম্বলটুকু তুমি ছিনিয়ে নিও না।

আমাকে বার্তা দিও, যেখানেই থাকো, যেভাবেই থাকো।

কারণ তুমি আমার বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল।


কিন্তু হঠাৎ-ই একদিন তোমার বার্তা আসা বন্ধ হয়ে গেল।

কী কারণে ঠিক জানি না! কেন বার্তা আসেনি!

কেন এমনটা করলে? কেন বার্তা দিলে না?

তোমার বার্তা আমার নিউরনে আসেনি। আর তাই,

আমার মস্তিষ্ক, আমার হৃৎপিণ্ড, আমার পুরো শরীর-

আমাকে মৃত্যুর কোলে ঢেলে দিলো।

নিউরনে বার্তা আসেনি

মোঃ শাহারুখ হোসেন

১৮ নভেম্বর ২০২০ ইং

শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২

বিজয়ের মাস | Bijoyer Mash | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

 

কত রক্তের বিনিময়ে

পেয়েছি এই বিজয়,

অপশক্তির কাছে আমরা

মানিনি পরাজয়।


ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে

স্বাধীন হয়েছে দেশ,

প্রাণ দিয়ে করেছে তারা

পাক বাহিনীদের শেষ।


লাল-সবুজের পতাকাটি

উড়ছে দেখো চেয়ে!

গর্বিত আজ এমন স্বাধীন

সোনার বাংলা পেয়ে।


নিজের দেশকে ভালোবাসি

করতে পারি বড়াই,

স্বাধীনতার জন্য আমরাই

করেছিলাম লড়াই।


আজ সকল শহীদের প্রতি 

কৃতজ্ঞতা জানাই,

ত্যাগের এমন দৃষ্টান্ত ঠিক

অন্য কোথাও নাই।


বিজয়ের এই মাসে এসো

প্রতিজ্ঞা করি তাই,

নিজের দেশের উন্নয়নে

কাজ করবো সবাই।

বিজয়ের মাস | ১৬-ই ডিসেম্বর ২০১৭ইং

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২

বাবা ছেলের দ্বন্দ্ব | বিশ্বকাপের ছড়া | মোঃ শাহারুখ হোসেন

বাবা করে আর্জেন্টিনা
ছেলে করে ব্রাজিল।
বাবা ছেলের মাঝে তাইতো
সাপোর্ট নিয়ে অমিল।

ছেলে বলে- 'আমরা সেরা'
কাপ নিবে ব্রাজিল।
বাবা বলে- দেখিস শেষে,
করবো আমরাই চিল।

বাবা বলে- মেসি সেরা
ছেলে বলে- নেইমার।
ব্রাজিল যে সেভেন আপ খেলো
মনে নেই কী সেইবার?

ছেলে বলে-। তোমরাও তো
কম খাওনি গোল
তারপরও তোমাদের কমে না
মুখে এতো বোল!

বিশ্বকাপ নিয়েছি পাঁচবার
তোমরা নিছো ক'বার?
তোমাদের দৌড় কতটুকু
জানা আছে সবার।

বাবা বলে- দেখো বাছা
বেশি বাড় বেড়ো না
পাঁচবার তোমরা কাপ নিয়েছো
এই চাপা ছেড়ো না

সারাক্ষণ মুখে এক কথা
পাচঁবার নিয়েছি কাপ।
পারলে এবার নিয়ে দেখাস
মানবো তোদেরকে বাপ!

ছেলে বলে- 'ব্রাজিল, ফাইনাল-
খেলেছে সাত বার।'
চার বার তোমরা ফাইনাল খেলে
তুলনা করো কার?

সব দিকে তো ব্রাজিল সেরা
নেবে আবারো কাপ
চোখ মেলে তাকিয়ে দেখো
এবারের বিশ্বকাপ।

কাপ নেবে না মেডেল নেবে
দেখবো সময় হলে
সবার আগে হেরে ব্রাজিল
যাবে বাড়ি চলে।

তোমায় আজকে ছেড়ে দিলাম
নেহাত তুমি বাপ।
তা না হলে পালটে দিতাম
মেরে মুখের ছাপ।

বাবা বললো- কী বললি তুই,
এত্ত বড় কথা??
ছেলে হয়ে দল নিয়ে আজ,
দিলি মনে ব্যথা!

এভাবেই তো তর্কাতর্কি
চলবে সারা মাস।
তারপরও যে বাবা ছেলের
এক বাড়িতে বাস।

বিশ্বকাপের সাপোর্ট নিয়ে
বাবা ছেলের দ্বন্দ্ব।
চলতে থাকবে সারাজীবন
হবে না আর বন্ধ।

বাবা ছেলের দ্বন্দ্ব | বিশ্বকাপের ছড়া
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন



শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২২

এ আমরা কেমন মানুষ | মোঃ শাহারুখ হোসেন

 

এ আমরা কেমন মানুষ?

অন্যের ব্যথায় ব্যথিত না হয়ে

উল্লাসে মেতে উঠি!

এ আমরা কেমন মানুষ?

অন্যের আনন্দে খুশি না হয়ে

হিংসাতে জ্বলে উঠি!


এ আমরা কেমন মানুষ?

অন্যের শান্তি কেড়ে নেয়ার জন্য

সারাক্ষণ চেষ্টায় থাকি।

এ আমরা কেমন মানুষ?

অন্যকে দুঃখ দিয়ে, নিজেরা-

হৃদয়ে স্বপ্ন আঁকি।


এ আমরা কেমন মানুষ?

স্বার্থের জন্য নিজেরা নিজেরা

করি প্রতিহিংসার লড়াই।

এ আমরা কেমন মানুষ?

ক্ষমতার দাপটে করছি সবে

দুনিয়ায় এতো বড়াই!


এ আমরা কেমন মানুষ?

দুর্বলের প্রতি অত্যাচার করে

ভালো মানুষ'টা সাজি।

এ আমরা কেমন মানুষ?

অর্থের লালসে মনুষ্যত্বকে

বিক্রি করতে হই রাজি।


এ আমরা কেমন মানুষ??

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১

আমি সেলসম্যান | মোঃ শাহারুখ হোসেন'র কবিতা | মোঃ শাহারুখ হোসেন

আমি সেলসম্যান, আমি স্বপ্ন দেখি রোজ।

আমি হাঁটতে হাঁটতে পেয়ে গেছি, সফলতার খোঁজ।

আমি সেলসম্যান, এটা গর্ব করে বলি।
আমি হালাল পথে আয় করি, আর সঠিক পথে চলি।
আমি সেলসম্যান, আমার বুদ্ধি আছে।

আমি সবার আগে ছুটতে জানি, আমার ক্রেতার কাছে।
আমি সেলসম্যান, আমি বিক্রি করি নিজেকে।
আমি সুকৌশলে সাজাই আমাকে, আমার ক্রেতার চোখে ।
আমি সেলসম্যান, আমি জিতি বারংবার।
আমি কর্মঠ, আমি পরিশ্রমী, আমি নই কভূ হারবার।
আমি সেলসম্যান, আমি চ্যালেঞ্জ নিতে জানি।
এটা করবো নয় মরবো, আমি এই কথাটাই মানি।
আমি সেলসম্যান, আমার আকাশ লক্ষ্য মাত্রা।
ঐ লক্ষ্য ভেদের প্রত্যয়ে করি দুঃসাহসী যাত্রা।
আমি সেলসম্যান, হ্যাঁ আমি-ই সেলসম্যান।


~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

বসন্ত এলো | কবিতা | Poem | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

বসন্ত যে এলো আবার

শীতের আমেজ শেষে

প্রকৃতি দেখো সেজেছে

কী অপরূপ বেশে!


গাছে গাছে সবুজ পাতায়

আবার যাচ্ছে ছেয়ে

গাছেরা সব সজীব হচ্ছে

নতুন পাতা পেয়ে


নানা রকম ফুলের গন্ধে

প্রকৃতি মুখরিত

আমের গাছে নতুন মুকুল

গন্ধে সুরভিত


কোকিল গাছে মিষ্টি সুরে

কুহুরবে ধরবে গান

ফাগুনের এই উষ্ণ ছোঁয়ায়

জুড়াবে সবার প্রাণ

বসন্ত এলো | ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

Agar Hota | Hindi Poetry By Md. Shaharukh Hossain


(I wrote poetry in Hindi for the first time)

Jindagee agar kaagaj hota
Tum hote syaahee
likhata tha main ise apoornata
jitana hai khaalee

Chaahat agar prapt hota
tum hote saathee
tumhaare lie abhee bhee main
sapano sajata tha

Manokaamana agar pooree hotee
tum hote pakshee
Tumhaaree lie main hoon
Khulke dekho aankhi

Sapana agar sach hota
tum hote raanee
Tumhaare lie likhoonga ek
naee prem kahaanee

Man agar asmaan hota
tum hote vah chaand,
mujhe bas pyaar ho jaega
yah haath mein rakho haath

Khushee agar dil kee hotee
tum hote mere yaar
man ka baat kholakar kahatee thee
Tumse karta hoon pyaar

Agar Hota | 05 Jan 2021
Md. Shaharukh Hossain

বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

অননের প্রেমের ইচ্ছা | কবিতা | Poem | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

 

অনন নামের এই ছেলেটা
দেখতে ভারি মিষ্টি।
রাস্তায় চলার সময় থাকে,
নিচের দিকে দৃষ্টি।

লাজুক ছেলে দেখে না তাই
কোনো মেয়ের পানে,
দেখতে ইচ্ছা করে কী না!
অনন ভালোই জানে।

বন্ধুবান্ধব সবার যে হয়-
প্রেম আর ভালোবাসা,
অননের মন চাইলেও তো
হয় না পূরণ আশা।

ওর তো ইচ্ছা করবে প্রেম
ঘুরবে পার্কে গিয়ে,
ফুসকা আর বাদাম খাবে
গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে।

কিন্তু অনন এতোই লাজুক
পারে না এসব করতে,
করবে কীভাবে! ভয় পায় সে-
মেয়ের পিছে ঘুরতে।

কলেজ লাইফ শেষের পথে
তবু অনন একা
আজও পায়নি অনন যে তার
প্রেয়সীর-ই দেখা

ভারাক্রান্ত মন নিয়ে তাই
চিন্তায় হচ্ছে বিভোর,
কবে আসবে প্রিয় মানুষ
খুলবে যে মনের দোর।

প্রেমের ইচ্ছা হয় না পূরণ
পায় না মেয়ের খবর!
একা একাই কাটাচ্ছে দিন
বুকে কষ্টের কবর।
অননের প্রেমের ইচ্ছা
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

[কবিতাটি পরিচিত ছোটো ভাই অননকে নিয়ে লেখা, ছোটো ভাইয়ের প্রেমের ইচ্ছাকে কাব্যে রূপ দিলাম]

বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০

বিদায় হে কিংবদন্তি ম্যারাডোনা | Maradona Poetry | কবিতা | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain


 আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি

ডিয়েগো ম্যারাডোনা,
ফুটবলের জাদুকর তিনি
সকলের তা জানা।

তিনি হলেন স্বপ্নের মানুষ
কোটি প্রাণের চাওয়া
ছিয়াশি সালের বিশ্বকাপ-
তাঁর নেতৃত্বেই পাওয়া।

আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের
ভক্ত তার-ই জন্য,
তাঁর মতো খেলোয়াড় পেয়ে
ভক্তরা যে ধন্য।

ষাট বছরের হায়াত শেষে
চলে গেলেন তিনি,
তাঁর কৃতিত্বে আর্জেন্টিনা
থাকবে চির ঋণী।

তাঁর মৃত্যুতে ব্যথিত সব!
ভক্তরা নেই ভালো,
ভারাক্রান্ত মন সকলের
যেন আঁধার কালো।

সমস্বরে বলছি বিদায় হে-
কিংবদন্তি ম্যারাডোনা!
সবার হৃদয়ে থাকবেন যে
কখনো বিশ্ব ভুলবে না।
বিদায় হে কিংবদন্তি ম্যারাডোনা
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২০

আমার জন্মদিন | Amar Jonmodin | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

 

আজকে একুশে অক্টোবর
আমার জন্মদিন
এই দিন ভবে এসেছিলাম
ঘর করে রঙিন

মায়ের কোল ভরিয়ে দিতে
এসেছিলাম ঘরে
সবাই খুশি হয়েছিলেন
আমায় দেখার পরে

আব্বু আমায় ভালোবেসে
শাহারুখ দিলেন নাম
আম্মু আমায় আদর করে
করতে দিতেন না কাম

জীবন যেন নষ্ট না হয়
মদ কিংবা তামাকে
মা-বাবা তাই সঠিক পথে
রাখেন যে আমাকে

যাদের জন্য এসেছিলাম
আমি এই ভুবনে
তৌফিক দিও আল্লাহ আমায়
রাখি যেন মনে

জন্মদিনে আল্লাহ তোমায়
করছি আমি স্মরণ
আমলনামা তৈরির আগে
দিও না'কো মরণ

___আমার জন্মদিন___
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০

ভালো থেকো | Valo Theko | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

 

কোথায় আছো,
কেমন আছো,
কিছুই জানিনা।

কাছে এসে,
ভালোবেসে,
বলতে পারো না?

ভুলে গিয়ে,
দূরে গিয়ে,
আছো কী সুখে?

আমি একা,
পাই না দেখা,
আছি যে দুখে।

মনের কথা,
দিলে ব্যথা,
সইতে পারি না

ভালো থেকো,
সুখে থেকো,
কিছুই বলবো না।

____ভালো থেকো____
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০

ওহে ধর্ষক ~ মোঃ শাহারুখ হোসেন


 ওহে ধর্ষক!
তুমি কাকে ধর্ষণ করছো??

তুমি যাকে ধর্ষণ করছো, তুমি কী তাকে চেনো?
তুমি কী জানো? তাকে কে জন্ম দিয়েছে!

ওহে ধর্ষক!
তুমি কাকে ধর্ষণ করছো?
তুমি যে ধর্ষণ করছো, তুমি কী তোমাকে জানো?
তোমাকে কে জন্ম দিয়েছে!

তোমাকে (ধর্ষক) ওই মেয়েকে (ধর্ষিতা) কোনো না কোনো নারী-ই জন্ম দিয়েছে।

আফসোস!
তুমি সেই নারীকেই ধর্ষণ করছো।
সেই নারীর-ই সতীত্ব নষ্ট করছো।

নারী জাতির এই একটাই কষ্টঃ-
ধর্ষক এবং ধর্ষিতা উভয়কেই পেটে ধরতে হয়।

নারী যদি জানতে পারতেনঃ-
একদিন তার ছেলে ধর্ষক হবে অথবা তার মেয়ে ধর্ষণ হবে, তাহলে হয়ত কোনো নারী "মা" হতে চাইতেন না।

সারাজীবন নিঃসন্তান হয়ে জীবন কাটিয়ে দিতেন।

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

ধর্ষিত বাংলাদেশ | Dhorshito Bangladesh | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

 

আজকে আমার লিখতে গিয়ে হাত কেঁপেছে থরথর করে
লজ্জায় কষ্টে ঘৃণায় আমার অশ্রু ঝরছে দুচোখ ভরে
আমরা কী সত্যি মানুষ! না- মানুষ রূপে সব জানোয়ার?
কেমন করে করতে পারলো হায়রে পাপিষ্ঠ কুলাঙ্গার!

বলছি আমি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ এর সেই ঘটনা,
একজন মহিলাকে করলো বিবস্ত্র, আর যেই যাতনা!
নিজেকে রক্ষার জন্য তাঁর আর্তনাদ আর আহাজারি,
"ও আল্লাহরে, ও আব্বারে" কানে ভাসছে রোনাজারি!

কান্না আর আকুতি শুনে হয় নি তাদের দিলে দয়া,
শকুনের দল প্রহার করলো কাঁপে নি হায় ওদের হিয়া।
মহিলা তখন ওদেরকে পায়ে ধরে ছাড়তে বলে,
মাফ করে দে দোহাই লাগে ভিজলো মাটি চোখের জলে।

একটা হলুদ ওড়না দিয়ে লজ্জাস্থান ঢাকার চেষ্টা,
তা টেনে করলো উলঙ্গ মেটেনি যে ওদের তেষ্টা।
মহিলা তখন কী করবে! একটু সামনে এগোই গিয়ে,
ইজ্জত ঢাকার চেষ্টা করলো বিছানার ওই তোশক দিয়ে।

হায়না গুলো তোশক সরায় লজ্জাস্থানে করলো আঘাত।
কেউ আসে নি চিৎকার শুনে হয় নি ওদের কাজে ব্যাঘাত!
মনে পড়ে যায় এই দৃশ্য দেখে হযরত সুমাইয়া(রাঃ) এর কথা,
আবু জাহেলের মতো ঠিক দিলো এই নারীকে ব্যথা।

যেই নারীর পেটে জন্ম নিলে, সেই নারীকেই করছো ধর্ষণ!
খোদার আজাব বড়ই কঠিন একদিন গজব হবেই বর্ষণ।
এ কোন বর্বর দেশে আমরা বাস করছি সব মানুষ রূপে,
কেন আজকে মানুষের মন- মানবতার আঁধার কূপে।

শাস্তি পেতে হবে এই ভয় কেন আজকে উঠে গেছে? 
বিচার হয় না সেজন্যই কি ধর্ষক এমন রাস্তা নেছে!
ধর্ষিত হয় নি কোনো মা- বোন, ধর্ষিত হয়েছে দেশ।
তুমি সেই রক্তে অর্জিত মোদের ধর্ষিত বাংলাদেশ!

আর কত ধর্ষণ | Ar Koto Dhorshon | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

আর কত ধর্ষণ দেখতে হবে আমাদের?

কোন সমাজে আমরা করছি বসবাস,
এ কেমন সমাজ?
যে সমাজে ধর্ষণ নিয়ে করে উপহাস।
যে সমাজে মেয়েরা পাইনা নিরাপত্তা,
একা পথে চলতে ভয়ে কাঁপে আত্তা।

সাত বছরের মেয়েকেও ধর্ষিত হতে হয় মায়ের সামনে,
বোরখা পরেও ধর্ষিত হতে হয় খাদিজার মতো মেয়েকে।
স্বামীর সামনে ধর্ষিত হতে হয় নিরুপায় স্ত্রী'কে।
শিক্ষকের কাছে ছাত্রী, বাস চালকের কাছে যাত্রী;
আজ কারো কাছে, কারো সাথে, কোনোখানে নয়
মেয়েরা নিরাপদ।
সবখানে এই মানুষরূপী ধর্ষক আছে, কমছে না যে এদের উৎপাত।
আর কত ধর্ষণ?

এর বিরুদ্ধে কি পারিনা আমরা সোচ্চার হতে?
এদেরকে কি পারিনা উপযুক্ত শাস্তি দিতে?
এদের কি কোনো আদালতে বিচার হবে না?
এই ধর্ষকের কি কোনো শাস্তি হবে না?
এরা কি এভাবেই সমাজে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াবে?
এরা কি এভাবেই ধর্ষণ করে পার পেয়ে যাবে?
আর কত ধর্ষণ?

হে যুবকেরা তোমরা এগিয়ে আসো।
এই সকল নরপশুদের শাস্তি একমাত্র
তোমরাই দিতে পারবে।
আর চুপ করে ঘরে বসে থেকো না, এদেরকে সমাজ থেকে উপড়ে ফেলে দাও।
মা, বোনদের নিরাপদে চলার মতো সমাজ গড়ে দাও।

না হলে তো এই সমাজ একদিন ধ্বংস হয়ে যাবে।
সেই জাহেলিয়াত এর যুগের মতো হয়ে যাবে।
নারীদেরকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসো তোমরা।
আর কত নিস্তব্ধ, অসাড় হয়ে দেখবে চেয়ে চেয়ে?
আর কত ধর্ষণ হতে দেবে এই সমাজে??

যাদের পেটে জন্ম হলো হায়! আজ তারাই হচ্ছে ধর্ষণ
সেইদিন আর বেশি দূরে নেই,
যেইদিন এই ধর্ষকের উপর খোদার গজব হবে বর্ষণ।
এই দুনিয়ার শাস্তি থেকে এরা রেহাই পেলেও,
কেয়ামতের দিন পড়বে ধরা।
সেদিন হবে সঠিক বিচার, মনে রেখ-
আল্লাহর আজাব অনেক কড়া।।

___আর কত ধর্ষণ??___
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

এমন একটা বিকেল | Emon Ekta Bikel | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

এমন একটা বিকেল বসে থাকতে ইচ্ছে করে

যেমন ইচ্ছে করে,

সূর্যমুখী ফুলের ভিতরে তোমার হাসি দেখতে।

কিংবা কোনো এক পদ্ম পুকুরে তোমার পায়ের নুপুরে

জলের সাথে খেলা করা,

অথবা গাঁয়ের মেঠোপথ ধরে তোমার ছুটে চলা।


এমন একটা বিকেল বসে থাকতে ইচ্ছে করে

যেমন ইচ্ছে করে,

হলুদ শাড়ির আচলে তোমার উষ্ণ অভ্যর্থনা।

কিংবা আলতো ভেজা চুলে একরাশ ঝরে পড়া জলে

তোমার মুখের আদল দেখা,

অথবা ঠোঁট বাকিয়ে তারাদের সাথে কথা বলা।


এমন একটা বিকেল বসে থাকতে ইচ্ছে করে

যেমন ইচ্ছে করে,

ছাদের কার্ণিশে দাঁড়িয়ে ফুলের টবে পানি দেয়া।

কিংবা খরস্রোতা নদীর বুকে ভেসে চলতে মহাসুখে

কোনো শান্ত প্রকৃতির খোঁজে,

অথবা পাহাড়ের ঝর্ণার মতো তোমার নৃত্য করা।


এমন একটা বিকেল বসে থাকতে ইচ্ছে করে

যেমন ইচ্ছে করে,

তোমার হাতে হাত রেখে একটি দিনের মৃত্যু দেখতে।

কিংবা জোনাকিদের সাথে কোনো জ্যোৎস্নাময় রাতে

তোমায় একটু কাছে পেতে,

অথবা ভোরের পাখির মতো তোমার গান ধরা।


~ মোঃ শাহারুখ হোসেন


   

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০

তুমি যে আমায় দুঃখ দাও |Tumi Je Amy Dukkho Dao | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

 তুমি যে আমায় দুঃখ দাও!

এতো দুঃখ তুমি কোথায় পাও?

কই কখনো তো মুচকি হেসে বলনা

এই ভালোবাসা সুখ সব নাও।


আচ্ছা! দুঃখ কি তোমার শত্রু হয়?

যদি না-ই হয়, তাহলে শুধু আমাকে দিয়ে দাও কেন?

কিছুটা দুঃখ তো তুমিও রাখতে পারো।

কই কখনো তো নরম কণ্ঠে বললে না

এই দুঃখগুলোকে দুজন একসাথে ভাগাভাগি করবো।

সবসময় আমাকে দিয়েই স্বস্তির নিঃশ্বাস নাও।


বুঝেছি, আমাকে দুঃখ দিয়ে তুমি শান্তি পাও,

ঠিক বলেছি না?

নাহ, তা হবে কেন!

হয়তো আমি দুঃখ পেলে তোমার ভালো লাগে,

আমি তোমাকে অনেক জ্বালায় কী না!


আচ্ছা! তুমি যে আমায় দুঃখ দাও!

এতো দুঃখ আমি রাখবো কোথায়?

আমার পুরো জীবন জুড়ে তো শুধু তুমি আছো।

তোমাকে রেখে দুঃখ কে কী করে জায়গা দিবো?

দুঃখের সাথে না হয় তুমি একটু জায়গা দিও।


ভয় নেই তোমার, বিনিময়ে না হয় আমি সুখ আর ভালোবাসা দিবো।

ওহ কী যা তা বলছি, আমি তো ভুলেই গিয়েছিলাম

তোমার তো ভালোবাসা দেবার মানুষ আছে; আমি তো প্রাক্তন।


এতোসব কথা শোনাচ্ছি বলে রাগ হচ্ছে, তাই না?

রাগ হওয়ারই কথা, আমি তো সবকিছুতেই একটু বেশি করি।

আর সেজন্যই তো তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গিয়েছ।

তবে জানো কী? আমার তাতে বিন্দুমাত্র আফসোস হয় না।

অবাক হলে? ভাবছো যে মানুষটা তোমাকে ছাড়া এক মুহূর্ত থাকতে পারতো না, আজ এ কথা বলছে কেন!

আসলে তুমি আমাকে ছেড়ে গিয়েছ ঠিকই,

কিন্তু তোমার দেয়া দুঃখগুলো আমাকে ছেড়ে যায় নি।


এই দেখো তোমাকে লিখতে গিয়ে চোখের কোণে জল এসে গেলো, হয়তো কিছু পড়েছে।

সে যাইহোক, তোমাকে একদিন বলেছিলাম না; এতো দুঃখ কোথায় রাখবো!

হ্যাঁ অবশেষে রাখার জায়গা পেয়ে গেছি।

তুমি ছেড়ে যাওয়ার পর দুঃখগুলোকে বুকের মাঝে রেখে দিয়েছি, খুব যতন করে।

তোমার দেয়া দুঃখ বলে কথা, অবহেলা করি কী করে!


তুমি যে আমায় দুঃখ দাও!

বিনিময়ে তুমি কী সুখ পাও?

কই কখনো তো মুচকি হেসে বলনা

আজ থেকে আর দুঃখ দেবো না যাও।


তুমি যে আমায় দুঃখ দাও!

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন



মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০

ছোট্ট মামা আয়াত | Chotto Mama Aayaat | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

 

ছোট্ট মামা আয়াত
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন
____________________

ছোট্ট সোনা চাঁদের কণা
মিষ্টি একটা মেয়ে
মা-বাবা তো অনেক খুশি
এমন কন্যা পেয়ে

ছোট্ট মামা গায়ে জামা
দেখতে লাগে ভালো
দুষ্টু মিষ্টি মামা আমার
যেন চাঁদের আলো

ছোট্ট খুকি দিচ্ছে উঁকি
সবার মনের মাঝে
বাহানা তার অনেক বেশি
সকাল সন্ধ্যা সাঝে

ছোট্ট জাদু মুখে মধু
কথা বলে যখন
অপলক চোখে তাকিয়ে
থাকি মোরা তখন

ছোট্ট আয়াত বেশি হায়াত
দিও আল্লাহ ও'কে
সবার মুখ'টা উজ্জল করে
বেঁচে থাকুক সুখে

[আজ ১৮-ই আগস্ট আমার ছোট্ট মামা'টার জন্মদিন। অনেক অনেক স্নেহ ও ভালোবাসা রইলো। আল্লাহ যেন মানুষের মতো মানুষ হওয়ার তৌফিক দান করেন। জীবন পথে অগ্রগামী হতে পারে। (আমিন)]

শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

অবাধ্য ~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

কেন এমন লুকোচুরি
কী বা এর কারণ
কেন আমরা বাইরে ঘুরছি
শুনছি না বারণ

সারাবিশ্ব করোনাতে
নাজেহাল যখন
আমরা কীভাবে বাহিরে
ঘুরছি সব তখন!

সবার মতো আমাদেরও
হবে ঠিক মরণ
তবুও খোদাতায়ালা কে
হয় না কী স্মরণ!

সময় থাকতে ফিরে এসো
ইসলামের পথে
ইবাদত করো জান্নাত চাও
চলো না বিপথে

রক্ষা করবেন তিনি মোদের
এই বিপদ থেকে
খুশি যদি করতে পারি
খোদা কে ডেকে

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন