আজকে আমার লিখতে গিয়ে হাত কেঁপেছে থরথর করে
লজ্জায় কষ্টে ঘৃণায় আমার অশ্রু ঝরছে দুচোখ ভরে
আমরা কী সত্যি মানুষ! না- মানুষ রূপে সব জানোয়ার?
কেমন করে করতে পারলো হায়রে পাপিষ্ঠ কুলাঙ্গার!
বলছি আমি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ এর সেই ঘটনা,
একজন মহিলাকে করলো বিবস্ত্র, আর যেই যাতনা!
নিজেকে রক্ষার জন্য তাঁর আর্তনাদ আর আহাজারি,
"ও আল্লাহরে, ও আব্বারে" কানে ভাসছে রোনাজারি!
কান্না আর আকুতি শুনে হয় নি তাদের দিলে দয়া,
শকুনের দল প্রহার করলো কাঁপে নি হায় ওদের হিয়া।
মহিলা তখন ওদেরকে পায়ে ধরে ছাড়তে বলে,
মাফ করে দে দোহাই লাগে ভিজলো মাটি চোখের জলে।
একটা হলুদ ওড়না দিয়ে লজ্জাস্থান ঢাকার চেষ্টা,
তা টেনে করলো উলঙ্গ মেটেনি যে ওদের তেষ্টা।
মহিলা তখন কী করবে! একটু সামনে এগোই গিয়ে,
ইজ্জত ঢাকার চেষ্টা করলো বিছানার ওই তোশক দিয়ে।
হায়না গুলো তোশক সরায় লজ্জাস্থানে করলো আঘাত।
কেউ আসে নি চিৎকার শুনে হয় নি ওদের কাজে ব্যাঘাত!
মনে পড়ে যায় এই দৃশ্য দেখে হযরত সুমাইয়া(রাঃ) এর কথা,
আবু জাহেলের মতো ঠিক দিলো এই নারীকে ব্যথা।
যেই নারীর পেটে জন্ম নিলে, সেই নারীকেই করছো ধর্ষণ!
খোদার আজাব বড়ই কঠিন একদিন গজব হবেই বর্ষণ।
এ কোন বর্বর দেশে আমরা বাস করছি সব মানুষ রূপে,
কেন আজকে মানুষের মন- মানবতার আঁধার কূপে।
শাস্তি পেতে হবে এই ভয় কেন আজকে উঠে গেছে?
বিচার হয় না সেজন্যই কি ধর্ষক এমন রাস্তা নেছে!
ধর্ষিত হয় নি কোনো মা- বোন, ধর্ষিত হয়েছে দেশ।
তুমি সেই রক্তে অর্জিত মোদের ধর্ষিত বাংলাদেশ!


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন