Welcome To My Official Blog Site

নতুন নতুন সব আপডেট পেতে আমাদের সাইটের সাথেই থাকুন। আর কোন সমস্যা হলে আমার সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করবেন www.facebook.com/ShaharukhOfficial

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

ছড়া/কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ছড়া/কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

বিবাহ বন্ধন | Bibaho Bondhon | বিবাহ বার্ষিকী নিয়ে কবিতা | মোঃ শাহারুখ হোসেন

 


প্রেমের যত শব্দ, আছে যত ভাষা,
দুটি মনের মিলনে হলো ভালোবাসা।
বিবাহের প্রথম বছর, এই আলোচনা।
সময় পেরিয়ে যায়, স্মৃতি যায় না!

ভালোবাসার বাণী, মুখোমুখি কথা,
আমাদের প্রেম, এক সুতো-ই গাঁথা।
জীবনের পথে, এগিয়ে যেতে ছুটি,
দুজনে একসাথে, কত করি খুনসুটি।

বিবাদ আসতে পারে, আসবে বাধা,
বিবাহিত জীবন মানেই গোলকধাঁধা।
তবু মায়ার বাঁধনে বেঁধে আছি, থাকব।
সারাজীবন এভাবেই আগলে রাখব।

বিবাহের প্রথম বছর, কীভাবে যে কাটে!
জীবনের নতুন অধ্যায় লেখা হৃদয়পটে।
সাথে থাকা, পাশে থাকা, দূরে যাওয়ার নয়,
প্রার্থনা, "পবিত্র এই বন্ধন ছিন্ন যেন না হয়।"

বিবাহ বন্ধন | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

আলহামদুলিল্লাহ বিবাহিত জীবনের এক বছর পুর্ণ হলো। সৃষ্টিকর্তার নিকট এই প্রার্থনা, এভাবেই সারাজীবন একসাথে থাকতে চাই, বাকি পথ চলতে চাই।❤️ ছন্দে কাব্যে প্রিয় মানুষের জন্য লেখাটি উৎসর্গঃ করলাম Sharmin 💞👩‍❤️‍👨


শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩

গরমের তাপমাত্রা | কবিতা | শাহারুখ হোসেন |

 গরমের লাহরি বাতাসে সবুজ গাছের ছায়া,

মঙ্গল দেবে বাতাসে ফুলের জলধারা।

সূর্য জ্বলছে স্বর্গের মত প্রচণ্ড আঁধারে,

জলপূর্ণ ভিজ্ঞতা ছুঁয়ে আসে বাতাসের দারে।


পানির কান্ডার বেগে মঙ্গল দেবে মানবজাতি,

হৃদয়ে উৎসাহের জ্বালা, আঁচলে আকাশে পাতা।

গরমের তাপমাত্রা বাড়াতে থাকে নিরবধি,

হারিয়ে যায় বাঁচা জীবনের সার্থকতা।


কর্মকে বাধা দিয়ে হাঁটতে হয় চলে,

সবুজ ঘাসের চাদর মুছে ধরা তাপের তাপ।

কিন্তু এই গরমের সময়ে জল হল বিপদের প্রচণ্ড শক্তি,

জল হল জীবনের প্রাণ, সংরক্ষিত করতে হবে তার অস্তিত্ব অদৃশ্য।


জলের মূল্য সম্মান করতে হবে সবার,

গরমের তাপমাত্রা হোক একটি সতর্কতার।

জল হল জীবনের উৎস, সংরক্ষণ করতে হবে তাকে,

সৃষ্টির নিয়ম মেনে চলতে হবে সবাইকে।

সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩

নিউরনে বার্তা আসেনি | কবিতা | মোঃ শাহারুখ হোসেন |

আমার মস্তিষ্কের ১০ বিলিয়ন নিউরন

শুধু তোমার বার্তা বহন করে

তোমার বার্তা না পেলে হৃদয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয়।

জীবদ্দশায় হৃৎপিণ্ডের ২৬০০ মিলিয়ন স্পন্দন-

একমুহূর্তে বন্ধ হয়ে যায়।


মস্তিষ্কের ক্যানভাস জুড়ে তোমার অনুপস্থিতির মিছিল শুরু হয়।

১২ সে.মি. দৈর্ঘ্যের হৃৎপিণ্ডটা সংকুচিত হয়ে যায়।

আমার ধমনী তার রক্ত সংবহন বন্ধ করে দেয়।

পুরো শরীর যেন আমার বিপরীতে চলে যায়।

তোমার বার্তা না পেলে শরীরের প্রতিটি অংশ

আমাকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত করতে এক হয়।


আমি চাই তোমার বার্তা আমার নিউরনে পৌঁছাতে,

যেন আমার মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে।

তোমার প্রতিটা বার্তা আমাকে যেন আরও

একটা দিন বাঁচতে অনুপ্রেরণা জোগায়।

এই শেষ সম্বলটুকু তুমি ছিনিয়ে নিও না।

আমাকে বার্তা দিও, যেখানেই থাকো, যেভাবেই থাকো।

কারণ তুমি আমার বেঁচে থাকার একমাত্র সম্বল।


কিন্তু হঠাৎ-ই একদিন তোমার বার্তা আসা বন্ধ হয়ে গেল।

কী কারণে ঠিক জানি না! কেন বার্তা আসেনি!

কেন এমনটা করলে? কেন বার্তা দিলে না?

তোমার বার্তা আমার নিউরনে আসেনি। আর তাই,

আমার মস্তিষ্ক, আমার হৃৎপিণ্ড, আমার পুরো শরীর-

আমাকে মৃত্যুর কোলে ঢেলে দিলো।

নিউরনে বার্তা আসেনি

মোঃ শাহারুখ হোসেন

১৮ নভেম্বর ২০২০ ইং

শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২

বিজয়ের মাস | Bijoyer Mash | কবিতা | Kobita | মোঃ শাহারুখ হোসেন | Md. Shaharukh Hossain

 

কত রক্তের বিনিময়ে

পেয়েছি এই বিজয়,

অপশক্তির কাছে আমরা

মানিনি পরাজয়।


ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তে

স্বাধীন হয়েছে দেশ,

প্রাণ দিয়ে করেছে তারা

পাক বাহিনীদের শেষ।


লাল-সবুজের পতাকাটি

উড়ছে দেখো চেয়ে!

গর্বিত আজ এমন স্বাধীন

সোনার বাংলা পেয়ে।


নিজের দেশকে ভালোবাসি

করতে পারি বড়াই,

স্বাধীনতার জন্য আমরাই

করেছিলাম লড়াই।


আজ সকল শহীদের প্রতি 

কৃতজ্ঞতা জানাই,

ত্যাগের এমন দৃষ্টান্ত ঠিক

অন্য কোথাও নাই।


বিজয়ের এই মাসে এসো

প্রতিজ্ঞা করি তাই,

নিজের দেশের উন্নয়নে

কাজ করবো সবাই।

বিজয়ের মাস | ১৬-ই ডিসেম্বর ২০১৭ইং

~ মোঃ শাহারুখ হোসেন

শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২

বাবা ছেলের দ্বন্দ্ব | বিশ্বকাপের ছড়া | মোঃ শাহারুখ হোসেন

বাবা করে আর্জেন্টিনা
ছেলে করে ব্রাজিল।
বাবা ছেলের মাঝে তাইতো
সাপোর্ট নিয়ে অমিল।

ছেলে বলে- 'আমরা সেরা'
কাপ নিবে ব্রাজিল।
বাবা বলে- দেখিস শেষে,
করবো আমরাই চিল।

বাবা বলে- মেসি সেরা
ছেলে বলে- নেইমার।
ব্রাজিল যে সেভেন আপ খেলো
মনে নেই কী সেইবার?

ছেলে বলে-। তোমরাও তো
কম খাওনি গোল
তারপরও তোমাদের কমে না
মুখে এতো বোল!

বিশ্বকাপ নিয়েছি পাঁচবার
তোমরা নিছো ক'বার?
তোমাদের দৌড় কতটুকু
জানা আছে সবার।

বাবা বলে- দেখো বাছা
বেশি বাড় বেড়ো না
পাঁচবার তোমরা কাপ নিয়েছো
এই চাপা ছেড়ো না

সারাক্ষণ মুখে এক কথা
পাচঁবার নিয়েছি কাপ।
পারলে এবার নিয়ে দেখাস
মানবো তোদেরকে বাপ!

ছেলে বলে- 'ব্রাজিল, ফাইনাল-
খেলেছে সাত বার।'
চার বার তোমরা ফাইনাল খেলে
তুলনা করো কার?

সব দিকে তো ব্রাজিল সেরা
নেবে আবারো কাপ
চোখ মেলে তাকিয়ে দেখো
এবারের বিশ্বকাপ।

কাপ নেবে না মেডেল নেবে
দেখবো সময় হলে
সবার আগে হেরে ব্রাজিল
যাবে বাড়ি চলে।

তোমায় আজকে ছেড়ে দিলাম
নেহাত তুমি বাপ।
তা না হলে পালটে দিতাম
মেরে মুখের ছাপ।

বাবা বললো- কী বললি তুই,
এত্ত বড় কথা??
ছেলে হয়ে দল নিয়ে আজ,
দিলি মনে ব্যথা!

এভাবেই তো তর্কাতর্কি
চলবে সারা মাস।
তারপরও যে বাবা ছেলের
এক বাড়িতে বাস।

বিশ্বকাপের সাপোর্ট নিয়ে
বাবা ছেলের দ্বন্দ্ব।
চলতে থাকবে সারাজীবন
হবে না আর বন্ধ।

বাবা ছেলের দ্বন্দ্ব | বিশ্বকাপের ছড়া
~ মোঃ শাহারুখ হোসেন